এজেএম আহছানুজ্জামান ফিরোজ , শেরপুর প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে গবাদিপশুর পরিচর্যা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন শ্রীবরদী'র খামারিরা। ক্রেতা পর্যায়ে এই অঞ্চলে মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি থাকায় বেশিরভাগ খামারেই বড় আকৃতির গরুর দেখা তেমন মিলছে না। এছাড়া কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা পশুর চাহিদা না থাকায়, প্রাকৃতিক ও নির্ভেজাল পদ্বতিতে মোটাতাজাকরণ পদ্বতির পশুর চাহিদা বেশি থাকবে বলে জানিয়েছেন খামারিরা। আর এতে করে খামারিরা ভালো দর পাবেন বলেও মনে করা হচ্ছে। প্রাণিসম্পদ কার্যালয সূত্রে জানা যায়, শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় ষাঁড় ৯ হাজার ৭ শত ২০টি, বলদ ৩ শত ৮০টি, গাভী ৬ হাজার ১০০টি, মহিষ ১ শত ৪৫টি,ছাগল ৩ হাজার ৫ শত ১০টি, ভেড়া ২ শত ৫৫টিসহ মোট ২০ হাজার ১ শত ১০টি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করেছে প্রান্তিক খামারিরা। উপজেলার সদর ইউনিয়নের পুরান শ্রীবরদী গ্রামের খামারি সাগর আলী বলেন, ২০২০ সালে ১৫টি দেশি প্রজাতির ষাঁড় কিনে সেগুলোকে মোটাতাজাকরণ শুরু করি। তবে এখন আমার এ খামারে ৭টি ষাঁড় রয়েছে। যার মধ্যে অনেকেগুলো দেখতে বেশ ভালো আকারের হয়েছে। সামনে কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে গরুগুলো বিক্রির চিন্তাও করছি। তিনি আরও বলেন, সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে খড়, খৈল, ভুষি ও কাঁচা ঘাস খাইয়ে গরুগুলো মোটাতাজা করা হয়েছে। এই পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করার খরচ একটু বেশি হলেও কোন রকমের ঝুঁকি নেই। আর ক্রেতারাও এ ধরনের গরুর প্রতি আগ্রহী। উপজেলার পৌর সভার ৬নং ওয়ার্ডের মুন্সিপাড়া গ্রামের সুন্দর আলী জানান, তিনি এ বছর ৬টি গরু মোটাতাজা করছেন। গরুর কোন সমস্যা মনে হলেই উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের লোকজনদের কাছ থেকে চিকিৎসা ও পরামর্শ নিয়ে থাকেন। তবে গো-খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় মোটাতাজাকরণ ব্যয় অনেকটা বেড়েছে। কোরবানিতে তিনি গরুগুলো বিক্রি করতে চাচ্ছেন এবং আশা করছেন ভালো দরও পাবেন। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মেহেদী হাসান বলেন, উপজেলার প্রায় চার শতাধিক ছোট-বড় গরুর প্রাান্তিক খামারি রয়েছে। যেগুলোর খোঁজ-খবর প্রতিনিয়ত রাখা হচ্ছে। আমাদের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একেবারেই প্রাকৃতিক ও নির্ভেজাল পদ্ধতিতে গরু লালন-পালন করেছেন বিভিন্ন খামারি। সেই সাথে গরু মোটাতাজাকরণের ক্ষেত্রে কোন রকম ক্ষতিকারক ওষুধ কিংবা ইনজেকশন ব্যবহার না করার পরামর্শও প্রতিনিয়ত খামারিদের দিয়ে থাকি। আর গরু মোটাতাজাকরণের বিষয়ে খামারিদের সবধরনের সহযোগিতা ও পরামর্শ দিতে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা মাঠে পর্যায়ে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।
ফার্মগেটে মেট্রোরেল দুর্ঘটনা: লোহার যন্ত্রাংশে চাপা পড়ে এক পথচারীর মর্মান্তিক মৃত্যু নিজস্ব প্রতিবেদক | বাংলাদেশ দিগন্ত | ঢাকা, ২৬ অক্টোবর ২০২৫ রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় মেট্রোরেলের একটি ভারী যন্ত্রাংশ পড়ে এক পথচারীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম আবুল কালাম আজাদ (৩৫), তিনি শেরেবাংলা নগর এলাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরের দিকে মেট্রোরেলের পিলার নম্বর ২৩৯-এর পাশে হঠাৎ বিকট শব্দে কি...
ছাতকে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে প্রেসক্লাবে ব্যবসায়ির সংবাদ সম্মেলন সেলিম মাহবুব,ছাতকঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে ছাতক প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন শহরের ব্যবসায়ী দিপেন কুমার রায়। রবিবার বিকেলে ছাতক বাজারের বাসিন্দা ব্যবসায়ী দিপেন কুমার রায় এ সংবাদ সম্মেলন করে লিখিত বক্তব্যে বলেন,আমার ছোটভাই পাপলু কুমার রায় জীবিত থাকাবস্থায় আমরা ভাইয়েরা পৈত্রিক ভিটে একই বাসায় থাকলেও পৃথক অন্নে ছিলাম। ছোট ভাই পাপলু কুমার র...
বংশ পরস্পরায় ফলের মালা পড়িয়ে কালী মায়ের পূজো হচ্ছে ৫০ বছর ধরে, আর এটাই রীতি । ২৪ শে অক্টোবর শুক্রবার, দীপাবলির পূর্ণ লগ্নে যখন সারা দেশে কালীমা পূজিত হন বিভিন্ন রুপে, বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠান এর মধ্য দিয়ে, ক্লাবের পূজো থেকে শুরু করে বাড়ির পুজোয়। চারিদিকে জ্বলে উঠে রং বেরঙের আলোক সজ্জা। অন্যদিকে বংশ পরম্পরায় সকল রীতি নীতি মেনে কালী মাকে বিভিন্ন ফলের তৈরী পালা পরিয়ে , তবেই কালী মায়ের পূজো হয়, প্রথম থেকেই এই প্রচলন চলে আসছে, এই বছর ৫০ তম বছর, তাই মাকে স...
৩৪ তম বর্ষে পদার্পণ করলো- শিবরামপুর ফাইভ স্টার ক্লাব, এবারের বার্তা- "তারা মা দর্শন করুন।" রিপোর্টার , সমরেশ রায় ও শম্পা দাস , কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ: ২৩ শে অক্টোবর বৃহস্পতিবার, সকলের সাথে পাল্লা দিয়ে, এবারে তারা বার্তা দিতে চেয়েছেন ৩৪ তম বর্ষে, "তারা মা দর্শন করুন" উনিশে অক্টোবর ঠিক সন্ধ্যা সাড়ে আটটায়, শিবরামপুর কাস্টডাঙ্গার সংযোগস্থলে, ফাইভ স্টার ক্লাবে , বাংলা চলচ্চিত্র জগতের অভিনেত্রী এই প্রতিমার দ্বারদঘাটন করেন। ফিতে কেটে ও প্রদীপ প্রজ্জলনের মধ্য...
গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে - বারো ক্লাস পড়ুয়া ,নন্দিতা দাস- যোগায় বহু সম্মানে সম্মানিত। আজ ১৮ই অক্টোবর শনিবার, প্রত্যন্ত গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে নন্দিতা দাস, গাংনাপুর ,দেবগ্রাম অঞ্চলে অবস্থিত- দাস পরিবারের ছোট মেয়ে, ১২ ক্লাসে পড়ুয়া , যোগায় পারদর্শী নন্দিতা দাস, স্কুলের গণ্ডিতে ঢোকার আগে থেকেই অর্থাৎ ছয় বছর বয়স থেকেই যোগায় তার আগ্রহ, দেখতে দেখতে ১৮ টি বছর, নানা কষ্টের মধ্য দিয়ে স্কুলের পড়ার সাথে সাথে, যোগা কি বেছে নিয়েছে তাহার পথচলা। মা শম্পা দাস ,বাব...