দুর্ভাগ্য যেন রাঙামাটিবাসীর পিছু ছাড়ছে না! জেলার উন্নয়নের স্বপ্নপথে আবারও অমানিশা

॥ ডেস্ক রিপোর্ট ॥ দুর্ভাগ্য যেন রাঙামাটিবাসীর পিছু ছাড়ছে না। দেশের আর ৬৪ জেলার মধ্যে আক্ষরিক অর্থেই পিছিয়ে রয়েছে পার্বত্য তিন জেলা। কি উন্নয়ন, কি অগ্রগতি, সামাজিক বা রাজনৈতিক সব ক্ষেত্রেই তিন পার্বত্য জেলা পিছিয়ে ছিল শতাব্দী কাল ধরেই। অথচ লীলাময়ী প্রকৃতি আপন হাতে এখানে ছড়িয়ে রেখেছেন নানা ধনভান্ডার। কিন্তু সেই ধনভান্ডারই হয়তো এ এলাকার মানুষের জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ দেশি বিদেশি নানা খেলোয়াড় বিভিন্ন আঙ্গিকে সক্রিয় পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে। তিন জেলার মধ্যে আবার রাঙামাটিবাসীর ভাগ্য আরো অপ্রসন্ন। মাতৃজেলা হয়েও এই জেলা পার্বত্য চুক্তির ২৯ বছরেও উন্নয়নের পথে হাটতে পারেনি। এর জন্য রাজনৈতিক নেতৃত্বের দুর্বলতা যেমন দায়ী, তেমনি সরকারের সদিচ্ছাও কোনো অংশে কম দায়ী নয়। চুক্তির পর ২৯ বছর পেরিয়ে গেলেও প্রথমবারের মতো একজন মন্ত্রী পেয়েছিল রাঙামাটি। সেই সম্ভাবনাও যেন কপালে সইলোনা। সৎ, সজ্জন এবং ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিতি পাওয়া সেই নক্ষত্র অকালেই ঝরে গেলো। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের আকস্মিক পদত্যাগ যেন রাঙামাটিবাসীর স্বপ্নকে ধুলোয় মিশিয়ে দিলো। ঈদের ছুটির পর প্রথম কর্মদিবসেই পদত্যাগ করলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। তিনি সোমবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পদত্যাগপত্র জমা দেন এবং তা গৃহীত হয়। বিপুল জয় নিয়ে বিএনপি সরকার গঠনের সাড়ে তিন মাসের মাথায় তাঁর এই আকস্মিক পদত্যাগ নিয়ে পাহাড়ে নানা আলোচনা চলছে। এর মধ্যে মন্ত্রণালয় পরিচালনা, পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন ও রাঙামাটি বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিয়েও তুমুল আলোচনা চলছে। এ দিয়ে ফেসবুকে পোস্টের অন্ত নেই। পদত্যাগপত্রে দীপেন দেওয়ান লিখেছেন, ‘দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আমি শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছি। আমার শারীরিক অসুস্থতার কারণে মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত কাজের দায়িত্ব পালনে নানাবিধ সমস্যা তৈরি হচ্ছে। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজের গতিশীলতা বাড়াতে আমার বর্তমান পদ (মন্ত্রী) থেকে অব্যাহতি গ্রহণ করা আবশ্যক বলে মনে করছি।’ বিনামেঘে বজ্রপাতের মতো সোমবার এ খবর ছড়িয়ে পড়লে, মানুষ খুব অল্প সময়েই কিংকর্তব্যবিমুড় ছিল। পরক্ষণেই তারা জেগে উঠে, রাস্তায় নেমে আসে দীপেন দেওয়ানের অগণিত সমর্থক। তাদের সকলের কণ্ঠে একটাই জিজ্ঞাসা ছিল। এটা কি গভীর কোনো ষড়যন্ত্রেরই অংশ নাকি, দীপেন দেওয়ানের অসহিষ্ণুতা রাঙামাটির মানুষকে আশাহত করলো। দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার এবং পুনর্বহালের দাবিতে সোমবার তাঁর অনুসারী-সমর্থকেরা রাঙামাটি শহরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। তাঁদের দাবি, চাপ প্রয়োগের কারণে মন্ত্রী পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। রাঙামাটি জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম ভূট্টো বলেন, ‘দীপেন দেওয়ান শারীরিকভাবে অসুস্থ নন, তিনি...

$post['title']

দীর্ঘ বিরতির পর চতুর্থ মৌসুম নিয়ে ফিরছে কোক স্টুডিও বাংলা

$post['title']

ম্যানসিটির মায়া কি তাহলে ছেড়েই দিচ্ছেন গার্দিওলা?

$post['title']

মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে জামায়াত সেক্রেটারি

$post['title']

ডিজিটাল প্রযুক্তিতে মিলবে ভূমিসেবা, বন্ধ হবে দুর্নীতি ও হয়রানি: প্রধানমন্ত্রী